Search This Blog

TIP'S CETAGORY WITH LANGUAGE

Tips 4 pc

Update Software

Showing posts with label CAREER. Show all posts
Showing posts with label CAREER. Show all posts

Tuesday, January 24, 2012

Ten top tips: Dealing with an angry customer

By Mario Dolcezza

These days, it only takes two minutes to tarnish a business’ reputation by posting unflattering reviews on the internet, or reporting them to Watchdog. So, as a business owner, it’s more important than ever to know how to deal with angry customers.

We asked customer service expert Mario Dolcezza, whose company Diciamo helps businesses engage with their clients, for his top tips on dealing with an irate customer.

1. The customer isn’t always right - but they are always a customer
Whatever the situation is, customers should at least be treated with professional courtesy. You don’t have to agree with them – but you must always treat them with respect.

2. Hold your customers in high regard
Acknowledge that your customers have the right to be upset with you, and treat them with respect accordingly. By holding them in high regard you ensure the opportunity to repair difficult circumstances.

3. There may be more than one problem
If your customer is really upset, chances are there have been a succession of ineptitudes. It’s important to know this so you understand why the customer has reached the end of their tether.

4. Let the storm blow out
Let the customer sound off. Wait until they’ve finished being angry – never interrupt, never argue – but do acknowledge you are listening by using phrases like ‘I see and ‘of course’.

5. Be detached
Don’t take complaints personally. If you can detach yourself personally from customer criticism, you have a much better chance of looking at the problem objectively.

6. Empathise
Use sympathetic phrases like ‘I understand how you feel’ and ‘you must be very disappointed’.

7. Don’t make excuses

Having aired their grievances, your customer should feel calmer and happier, but it’s important you don’t take a step backwards by making excuses. If it’s your company’s fault, confess and apologise.


8. Offer solutions
… and if possible, allow the customer to choose what works best for them. If your company’s in the wrong, you should be the ones putting yourselves out to put things right.

9. Take ownership of the problem
Ensure the customer knows you’re taking them seriously. Give them your name and contact details. If possible, use direct numbers rather than a switchboard.

10. Manage expectations
Let the customer know what you’re going to do and when. A customer won’t necessarily expect you to resolve the problem there and then, but if you need to investigate, tell your customer, letting them know when you’ll be in touch. A structured plan of resolution will give them a sense that their problems are being taken seriously.

Thursday, April 21, 2011

8 Ways to Keep Your Job

1) Invest in yourself

Brush up on your skills, experience and education. What's missing from your resume? What can make you more valuable to your employer? Identify a class to take, a work project to volunteer for. It is time and money well spent.

2) Make yourself indispensable
Pitch in on extra projects, work overtime if needed. Ask your boss how you can help during these tough times. Let them know you are there, and are willing to do what it takes to help the company pull through.

3) Impress your boss

Always take the opportunity to impress your boss. 8 way to impress your boss while doing less: Become Great Friends with Your Boss, Know What Your Boss’ Boss Wants, Focus on the Major Tasks, Don’t Sweat the Small Stuff, Send E-mails Before You Go To Work and After You Go Home, Volunteer for Everything, Get a Personal Assistant and Know Something Better than Anyone.

4) Submit your ideas on a regular basis.

You’ll be amazed at the level of growth and development you will personally experience when you start sharing your great ideas with your manager and staff members. Think about the ways you can improve your workplace, processes that can be streamlined, clutter that can be removed. Your excellent idea could move you toward greatness tomorro

5) Define your unique skill set
What makes you stand out from your peers in your industry? What unique skill(s) do you possess that you can leverage during this time to demonstrate your value and worth to your employer? Identify it – communicate it – leverage it.

6) Be proactive – network now
Expand your network now. Develop alliances within your industry - for yourself and your company. Team up to generate new business or collaborate on projects. This network will also come in handy if you are laid off later on. Networking is still the best way to find a job.

7) To prepare for the worst case scenario
a. Network everywhere: Professional associations, job hunting groups, social groups, even your church. Utilize discussion and networking forums online like www.linkedin.com.

b. Create a backup plan: What can you do financially to cover yourself in case you do get laid off? Put extra cash into savings. Cut back on certain expenses.

8) Find a mentor.

Working with a mentor will show your employer that you are serious about your career. Look for a mentor who is a successful leader in your career field. This person can be a supervisor, a co-worker or someone who works in another company. A mentor usually knows what managers look for when considering promotions and how to overcome workplace challenges. He or she can provide advice, answer questions, and relay tips that can help you reach your goals more quickly.

by Hallie Crawford, MA, CPCC and Others.


All Tips: Computer Tips, Internet Tips, Printing Tips, Health Tips, Life Tips, Household Tips, Career Tips, Earn By Internet, Phone Tips, Photography Tips, Fashion Tips, Hair Tips, Summer Tips, Travel Tips, Winter Tips etc.

All Blog: All Travel Way, Recipe BD, All Health BD, Dhaka All, Bangla Poetry, Bird sanctuary bd, Wallpaper All Free, Free Treatment Bd etc.

Saturday, January 15, 2011

নিজেই হোন নিজের বস

নিজেই হোন নিজের বস আরাফাত শাহরিয়ার বসের ঝাড়িঝুড়ি কিংবা কারো কর্তৃত্ব নেই, এমন অফিস ভাবা যায়? এসব কারণে চাকরি ছেড়েছেন এমন লোকের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। স্বাধীনচেতা অনেকেই চান নিজের মতো করে পেশাজীবনটাকে সাজাতে, যেখানে কারো কর্তৃত্ব নেই। মোবাইল ফোন মেরামত, কম্পিউটার মেরামত , গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিওগ্রাফি, আউটসোর্সিং, সাংবাদিকতাসহ অনেক পেশায়ই আছে মুক্তভাবে কাজ করার সুযোগ। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বেশির ভাগ পেশার জন্যই দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের দরকার হয় না; নেই উচ্চতর ডিগ্রির বাধ্যবাধকতাও। মুক্ত পেশা হিসেবে নেওয়া যায় এমন ১০টি পেশা নিয়েই এ আয়োজন।

গ্রাফিক ডিজাইনার
হাল সময়ের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন পেশা গ্রাফিক ডিজাইনার। ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার কেজি মুস্তাফা জানালেন, এ পেশায় মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। নির্ভর করবে দক্ষতার ওপর। গ্রাফিক ডিজাইনের চার মাস, ছয় মাস বা এক বছরের কোর্স আছে। গ্রাফিক ডিজাইনার হতে চাইলে অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর, কোয়ার্ক এক্সপ্রেস প্রভৃতি প্রোগ্রাম শিখতে হবে। সৃজনশীলতা যাঁর মধ্যে যত বেশি, এ পেশায় তাঁর সফল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। মুক্তভাবে কাজ করার আগে কোনো প্রতিষ্ঠানে কিছুদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো। গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, সাতমসজিদ রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। ফোন : ৯১১৩৮৯৬।
সিস্টেক কম্পিউটার এডুকেশন
বাড়ি নং-২৫/বি, রোড নং-৯/এ, ধানমণ্ডি, ঢাকা।
হাইটেক প্রফেশনাল
৬৯২/বি বড় মগবাজার,
ঢাকা-১২১৭। ফোন : ৯৩৪৪৪১২-৩, ০১৭১১৫৯০১৭৪।

ছবি তোলা
মুক্ত পেশা হিসেবে অনেকেই ছবি তোলার কাজ বেছে নেন। কোন ছবি কোন অ্যাঙ্গেলে, কতটুকু আলোয় তুলতে হবে_এ বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা না থাকলে ভালো ছবি তোলা সম্ভব নয়। ভালো ছবি তোলা জানলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ তো রয়েছেই, নিজেরও থাকতে পারে একটি ফটো স্টুডিও। বিভিন্ন মিডিয়া ও বিজ্ঞাপনী সংস্থায়ও রয়েছে কাজ করার সুযোগ। আর বেশির ভাগ আলোকচিত্রীই মুক্তভাবে কাজ করে, জানালেন বেগ আর্ট ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফির পরিচালক ইমতিয়াজ আলম বেগ। ফটোগ্রাফি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
পাঠশালা, ১৬ শুক্রাবাদ, পান্থপথ, ঢাকা।
ফোন : ৯১২৯৮৪৭, ৯১৩৬৮৯৫।
বেগ আর্ট ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি
৮৩ ল্যাবরেটরি রোড, ঢাকা। ফোন : ০১৭১৬৬৬৩৭৫৭।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ফোন : ০১৭১১৫৮৮১৪২।
চঞ্চল মাহমুদ ফটোগ্রাফি, বাড়ি নং-১, সড়ক নং-২, ধানমণ্ডি, ঢাকা। ফোন : ৯৬৬০৬৫১।
ঢাকা ফটোগ্রাফিক ইনস্টিটিউট, ২১৮
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫। ফোন : ৯০১৪২১৩।

ভিডিওচিত্র ধারণ
এ পেশায় রয়েছে মুক্তভাবে কাজ করার বিশাল ক্ষেত্র। তবে এর জন্য শুধু ভিডিও ক্যামেরা হাতে তুলে নিলেই চলবে না, সেটি কিভাবে পরিচালনা করতে হবে, সেটিও জানতে হবে। মুক্ত ভিডিওগ্রাফার সৈকত দেব রায় জানালেন, ভিডিওগ্রাফার হতে চাইলে সবার আগে ভিডিও ক্যামেরা পরিচালনা জানতে হবে। ভিডিওগ্রাফির জন্য কালার ব্যালেন্স, লাইট ব্যালেন্স_অনেক কিছুই শিখতে হয়। এ জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এ পেশায় দিন হিসেবে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। অর্থাৎ একজন ক্যামেরাম্যানকে প্রতিদিন ক্যামেরা চালানো বাবদ দেড় থেকে দুই হাজার টাকা সম্মানী দেওয়া হয়। ভিডিওচিত্র ধারণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
নিমকো, ১২৫/এ দারুসসালাম, মিরপুর রোড,
ঢাকা-১২১৬, বাংলাদেশ। ফোন : ৯০০৭৪১০-৪।
তানভীর মোকাম্মেল ফিল্ম ইনস্টিটিউট, ১৬০ লেক সার্কাস (চতুর্থ তলা), কলাবাগান, মিরপুর রোড, ঢাকা। ফোন : ০১৭১১৯৪০১৬৩, ০১৭১২০৮৬১০২।

মোবাইল ফোনের ডাক্তার
বর্তমানে নিম্ন আয়ের মানুষের মুঠোয়ও শোভা পাচ্ছে মোবাইল ফোন। ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে মোবাইল ফোন মেরামতকারীর চাহিদাও। ঢাকার ইস্টার্ন প্লাজার সাইম টেলিকমের কর্ণধার ও মোবাইল যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মো. কামাল হোসেন জানালেন, মোবাইল ফোন মেরামত পেশায় আসতে চাইলে প্রথম শর্তই হচ্ছে আগ্রহ ও ধৈর্য থাকতে হবে। নূ্যনতম এসএসসি পাস হলে ভালো হয়। কোনো মোবাইল সার্ভিস সেন্টারে ছয় মাস শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করলে পরবর্তী সময় সুবিধা হয়। মোবাইল ফোন মেরামত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ইলেকট্রনিকস ডিপার্টমেন্ট, সাতরাস্তা মোড়, তেজগাঁও, ঢাকা। ফোন : ৯১১২২২৯।
সিয়াম টেলিকম, ৩২০ বড় মগবাজার, ঢাকা। ফোন : ৯৩৪৭৬৩৫, ০১৭১১৬৬০৫৮৭।
আপন টেলিকম, ১৮ বঙ্গবন্ধু স্কয়ার পাতাল সড়ক মার্কেট, গুলিস্তান, ঢাকা। ফোন : ৯৫৭২০০০, ০১৭১১৪৭৭২০৯।

কম্পিউটার সারাইয়ের কাজ
কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কম্পিউটার মেরামতকারীর চাহিদাও। এ পেশায় আসতে চাইলে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও সফটওয়্যার সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে তিন থেকে ছয় মাস তত্ত্বীয় ও এক বছর হাতে-কলমে কাজ করিয়ে থাকে। বলছিলেন বিসিএস কম্পিউটার সিটির কমট্রেড ও মাল্টিকনের প্রধান নির্বাহী মাহবুবুর রহমান মাসুম। তিনি আরো জানালেন, শুধু কোর্স করলেই হবে না, কোনো কম্পিউটার ফার্মে কয়েক মাস কাজ করতে হবে। এরপর নিজস্ব এলাকায় মুক্তভাবে কাজ শুরু করা যায়। কম্পিউটার মেরামত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
সফটেক কম্পিউটার, চ-১০০/১ নর্থ বাডডা, ঢাকা-১২০২। ফোন : ০১৮১৩১২০১৩০
স্মার্ট সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ১ ইন্দিরা রোড, চৌরঙ্গী সুপার মার্কেট, ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন : ৯১৩৪৬৯৬, ০১৭১১০৫৪৪০৪।

মুক্ত সাংবাদিকতা
প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ঘিরে রয়েছে স্বাধীনভাবে কাজ করার অনেক সুযোগ; বিশেষ করে সংবাদপত্রের ফিচার বিভাগে প্রদায়ক হিসেবে কাজ করে অনেকেই মোটামুটি ভালো অঙ্কের টাকা রোজগার করেন। পত্রপত্রিকায় লেখালেখির পাশাপাশি অনুবাদ করেও আয় করা সম্ভব। রেডিও-টেলিভিশনেও রয়েছে মুক্তভাবে কাজ করার অনেক সুযোগ। বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল বাংলাভিশনের কর্মী ও নাট্যকার ফজলুল হক আকাশ জানালেন, টিভি চ্যানেলগুলোতে ভিডিও এডিটিং, স্ক্রিপ্ট লেখা, নাটক লেখা ও পরিচালনাসহ অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে। সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় এ রকম কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, ১২৫/এ দারুসসালাম রোড, মিরপুর, ঢাকা। ফোন : ৯০০৭৪১০-৪।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজম অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস মিডিয়া, ২৫৭/৮ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন ঢাল, ঢাকা। ফোন : ৮৬০৭৯১২।
প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি), ৩ সার্কিট হাউস রোড, ঢাকা। ফোন : ৯৩৩০০৮১-৪।
অদ্রি, ১৩ আজিজ সুপারমার্কেট, শাহবাগ, ঢাকা। ফোন : ০১৭১১৪০৭৪৯৫।
তৈরি, ২/৪ নবাব হাবিবুল্লাহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা। ফোন : ০১৫৫২৪৪৯৯৪৭।

কল সেন্টার কর্মী
বর্তমানে চাকরি যেখানে প্রার্থী খুঁজে নেয়, এমন একটি পেশার নাম কল সেন্টার কর্মী। প্রার্থীর তুলনায় এখানে চাকরির সংখ্যাই বেশি। সম্ভাবনাময় এ পেশায় ভালো বেতনের পাশাপাশি রয়েছে দিন কিংবা রাতে কাজ করার স্বাধীনতা। এখানে কাজ করতে হলে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালোভাবে কথা বলা জানতে হবে। একজন কল সেন্টার কর্মীকে দৈনিক চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় দিতে হয়। মাসিক হিসাবে তাঁদের বেতনের পরিমাণ ছয় থেকে বারো হাজার টাকা। কল সেন্টার কর্মী নিয়োগ করে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
ম্যাক্সসেল, বাড়ি-৪৪বি, রাস্তা-১১৬, গুলশান, ঢাকা। ই-মেইল-hr@mexcall.net
তাজ রোজ ভ্যালি রিসোর্ট, বাড়ি-২৮, নিউ ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা। ফোন : ৮৮৬১৩৬৩।
ইনস্টিটিউট অব কল সেন্টার টেকনোলজি
১৩বি সেন্টার পয়েন্ট, কনকর্ড (১১ তলা), ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন : ৯১৩৯৬৩৩, ০৬৬৬-২৬১৭৭২৭, ০১৭৩৬৭১৩১১৬, ওয়েব : www.iectglobal.com
ওয়ান কল
বাড়ি-১২১ (তৃতীয় তলা), রোড নং-১৯/এ, ব্লক-ই, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ফোন : ০১৭১৩১৯০০৪৫-৯।
হিরো মাইন্ডমাইন
ধানমণ্ডি শাখা_স্ট্যামফোর্ড ইনস্টিটিউট অব ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট, বাড়ি-৩৫/বি, রোড-৯/এ, ধানমণ্ডি, ঢাকা। ফোন : ৯১৪৫১৩৮-৩৯।
উত্তরা শাখা_বাংলাদেশ আউটসোর্সিং সেন্টার, ২৫ সোনারগাঁ জনপথ, সেক্টর-৯, উত্তরা, ঢাকা। ফোন : ০১৮২০২২২২১১।

ডেটা সংরক্ষণ
'আমাদের মতো পাঁচ থেকে ছয় হাজার প্রোভাইডার আছে, যারা ডেটা এন্ট্রির কাজ দিয়ে থাকে।' বলছিলেন মাল্টিওয়ে ইনফো সিস্টেমের পরিচালক মশিউর রহমান। তিনি জানান, ডেটা এন্ট্রি শিল্পে প্রধানত অনলাইন ও অফলাইনভিত্তিক দুটি উপায়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। অনলাইনভিত্তিক ডেটা এন্ট্রির কাজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ডেটাগুলো দিতে হয় এবং অফলাইনে দেওয়া ডেটাগুলো নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সম্পাদন করতে হয়। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও এক্সেল এবং ইংরেজিতে দক্ষতা থাকাটা এ পেশার জন্য খুবই দরকারি। ডেটা সংরক্ষণের কাজ করে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হলো :
বিনিময় টেলিসফট, ৫৩/এ সাউথ খুলশী, চট্টগ্রাম। ফোন : ০১৭১৬১৪২৪২৯।
রিলায়েন্স আইটি, ৭৮ ইন্দিরা রোড (তৃতীয় তলা), ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন : ০১৭১১৭৬৪৩৭৯।

ঘরে বসেই বিদেশি মুদ্রা
আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সহজেই দেশে বসে বিদেশি মুদ্রা আয় করতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার। আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন এমন একজন আল-আমিন জানালেন, কাজ বুঝে উঠতে সময় লাগে, তাই এর জন্য ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে। আউটসোর্সিংয়ে প্রোগ্রামিং, গেম ডেভেলপিং, ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, আর্টিকেল রাইটিং, মার্কেটিং, সফটওয়্যার টেস্টিং, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, ভিডিও প্রজেক্ট তৈরি প্রভৃতি বিষয়ের ওপর অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে। ব্লগ লিখেও এখানে মুক্তভাবে অনেক টাকা আয়ের সুযোগ রয়েছে। আউটসোর্সিংয়ের কোনো সাইটে নিবন্ধন করার আগে নিয়মকানুন ও শর্তগুলো ভালোভাবে জেনে নিতে হবে। মুক্তভাবে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন নিচের ওয়েবসাইটগুলোতে_
www.rentacoder.com
www.getacoder.com
www.odesk.com
www.joomlancer.com

বিদেশি ভাষা শিখেই নানা কাজ
বিদেশি ভাষা শিখেও সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার পেশাজীবনকে। ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, রুশ, জাপানি, চীনা, কোরিয়ান ইত্যাদি কোনো ভাষা যদি আপনার জানা থাকে, তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই আপনি মুক্তভাবে কাজ করতে পারেন। বিভিন্ন অনুবাদকেন্দ্রে বিদেশি ভাষা জানা এমন লোকের অনেক চাহিদা রয়েছে।
এ ছাড়া ট্যুরিস্ট গাইড হিসেবেও পর্যটনশিল্পে মুক্তভাবে কাজ করতে পারেন। বিভিন্ন বিদেশি ভাষা শেখা যায় এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা_
আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ঢাকা।
ফোন : ৯৬৬৭৯০০ এক্স-৮৫২১।
আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ফোন : ৭০৩১-৭১৬৫৫২,
এক্স-৪৩৪৪।
ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা।
ফোন : ০১৭৩৮৪২৮০৬।
ঢাকা ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব
রোড-১০, বাড়ি-২৫, ব্লক-ই, বনানী, ঢাকা।
মোবাইল : ০১৭১৬-৫০০২৩০
একুশে
রোড-১১, বাড়ি-১/২, ১১/এ, মিরপুর, ঢাকা।
মোবাইল : ০১৭১৬০২০৯০৯।

Friday, October 15, 2010

পেশা হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং

পেশা হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং

তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বায়নের এই যুগে কাজের ক্ষেত্র বর্তমানে নিজ দেশ কিংবা নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কাজের ক্ষেত্র এখন বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত। স্বল্পোন্নত উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত বিশ্বে দক্ষ, আধা দক্ষ এমনকি অদক্ষ শ্রমিক পাঠিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সংস্কৃতি চালু রয়েছে বিশ্বের দেশে দেশে। বাংলাদেশ ও এর ব্যাতিক্রম নয়। কারণ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার একটি বড় অংশ আসে প্রবাসে কর্মরতদের পাঠানো রেমিটেন্স থেকে। তবে বর্তমানে বিদেশে গিয়ে দৈহিক পরিশ্রম করেই যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে হবে এমন নয়। তথ্যপ্রযুক্তির জয়জয়কার এ যুগে দেশে বসেই প্রযুক্তির সুবিধা ব্যবহার করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনাময় একটি খাত হচ্ছে আউটসোসিং। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে চুক্তি অনুযাযী কোন কাজ করাকে সাধারণত আউটসোর্সিং বলা হয়ে থাকে। বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্স কর্মীদের জন্য অনলাইনে কাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ফ্রিল্যান্সার ডট কম। আউটসোর্সিং ব্যবসা যে কেউ যে কোন স্থান থেকে করতে পারে কিন্তু সমপ্রতি সাইটটি সেরা ৪০০ মধ্যে রয়েছে। আউটসোর্সিংয়ে সম্ভাবনাময় দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। দেশে তথ্যপ্রযুক্তি কমর্ীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারদের কর্মচেষ্টায় র্যাংকিং এর শীর্ষ ৩ এ উঠে আসে ঢাকার নাম। ঢাকা ইতিমধ্যে আউটসোর্সিং এ বিশ্বের সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে আউটসোর্সিং এ আমাদের যতটুকু সম্ভাবনা রয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ বিকাশ ঘটেনি। এর মধ্যে অন্যতম ঘাটতি রয়েছে সংশিস্নষ্ট ক্ষেত্রে সচেতনতার বিষয়ে।

ওডেস্কের এক তথ্য মতে ঢাকার এ সফলতার পেছনে রয়েছে সস্তা শ্রম এবং ইংরেজিতে দক্ষতার বিষয়টি। ঢাকার ফ্রিল্যান্সাররা আউটসোর্সিং-এ ওডেস্কের মাধ্যমে যেসব কাজ বেশি করে থাকে তার মধ্যে হচ্ছে- গ্রাফিক ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি এবং চেকআপ, অনুবাদ এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওডেস্কে আউটসোর্সিং-এ শীর্ষ শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতের চন্ডিগড়, মোহালী, ঢাকা এবং ফিলিপাইন। তবে ঢাকার অর্ধেক ফ্রিল্যান্সার ডাটা এন্ট্রির কাজ করে থাকে। ফিলিপাইন এবং আমেরিকার এক রিপোর্ট অনুসারে ভারত হচ্ছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আউটসোর্সিং করা দেশ। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বর্তমানে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ডাটা এন্ট্রির কাজ করে প্রতিমাসে প্রায় এক হাজার ডলারের মতো আয় করে থাকে।

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, সুলভমূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পেঁৗছে দেওয়া সম্ভব হলে দ্রুত সমৃদ্ধ হবে আমাদের আউটসোর্সিং সংস্কৃতি। কিন্তু বর্তমানে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রছাত্রীর জন্য পর্যাপ্ত ইন্টারনেট সুবিধা নেই। বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে নেই ইন্টারনেট সংযোগ।

বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিং কাজের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ওডেস্কসহ অন্য যে কোন আউটসোর্সিং বিষয়ক ওয়েব সাইটে ঢুকলে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক কাজের সন্ধান পাওয়া যাবে। ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও কাজের অফার রয়েছে। তবে সংশিস্নষ্ট কাজের দক্ষতা থাকা চাই।

ওয়েবসাইট, আইটি এবং সফটওয়্যার : ওয়েবসাইট, আইটি এবং সফটওয়্যার বিষয়ক কাজ রয়েছে এখানে। সংশিস্নষ্ট বিষয়ের কাজ জানা কর্মীরা এখানে প্রায় ১৫০ ধরনের আলাদা আলাদা কাজের সন্ধান পাবেন।

মোবাইল ফোন এন্ড কম্পিউটিং : মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটিং বিষয়ে পারদর্শীরা এখান থেকে কাজ নিতে পারেন। এখানে ফ্রিল্যান্সাররা ১৫ ধরনের কাজের সুযোগ পাবেন।

রাইটিং এন্ড কনটেন্ট : যারা লেখালেখিতে বেশ দক্ষ, তারা এখানে কাজ পেতে পারেন। এখানে ৩৫ ধরনের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক লেখার কাজ পাওয়া যায়।

ডিজাইন, মিডিয়া এন্ড আর্কিটেকচার : আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সাররা ডিজাইনের কাজ অনেক বেশি পরিমাণে করে থাকে। এখানে সংশিস্নষ্ট বিষয়ের ওপর প্রায় ৫৫ ধরনের কাজ পাওয়া যায।

ডাটা এন্টি : বাংলাদেশে আউটসোর্সিং জগতে সবচেয়ে বেশি হয় ডাটা এন্ট্রির কাজ। এখানে ডাটা এন্টি সংক্রান্ত ১৫ ধরনের কাজ পাওয়া যায়।

সেলস এন্ড মার্কেটিং : সেলস এন্ড মার্কেটিং ব্যবসা-বাণিজ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। দিন দিন বাড়ছে এই খাতের পরিধি। এখানে সংশিস্নষ্ট বিষয়ের ওপর ১৬ ধরনের কাজ পাওয়া যায়।

বিজনেস, অ্যাকাউন্টিং, হিউম্যান রিসোর্স এন্ড লিগ্যাল : ব্যবসা-বাণিজ্যের হিসাব, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং আইন সংক্রান্ত বিষয়ের কাজ পাওয়া যায় এখানে। সংশিস্নষ্ট ক্ষেত্রে প্রায় ৩০ ধরনের কাজ পাওয়া যায় এখানে।

ডেফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি) ৬ মাস মেয়াদি 'সার্টিফাইড আউটসোর্সিং প্রফেশনাল' কোর্স চালু করেছে। এ কোর্সে আউটসোর্সিং নিয়মাবলী থেকে শুরু করে আয় করা পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ হাতে কলমে শেখানো হবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা শিক্ষাথর্ীদের ব্যাংক একাউন্টে জমা হওয়া পর্যন্ত সহযোগিতা করা হবে। ফোন: ৯১১৭২০৫, ০১৭১৩৪৯৩১৬৩, ০১৭১৩৪৯৩২৫১, ০১৭১৩৪৯৩২৬৭।

০০ শরীফ নিজাম

Saturday, October 2, 2010

সবার পেশা শেয়ার ব্যবসা

সবার পেশা শেয়ার ব্যবসাশেয়ার ব্যবসা একটু আলাদাই। সবাই করতে পারেন। বেকার, ছাত্রছাত্রী, গৃহিণী_কে নয়? আবার অন্য পেশায় থেকেও এ ব্যবসা চালানো যায়। ফোনে বা ইন্টারনেটে শেয়ার কেনাবেচা করা যায়। বাড়া-কমা জানা যায় টেলিভিশনে, ইন্টারনেটে, এমনকি মোবাইল ফোনেও। শেয়ারবাজারের আদ্যোপান্ত জানাচ্ছেন আলী হায়দার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকানার অংশ বা অংশ বিশেষকে শেয়ার বলে। এই শেয়ার যাঁর মালিকানায় থাকবে তিনিই শেয়ার হোল্ডার। তবে পুঁজি বাজারে যে শেয়ার কেনাবেচা হয় তা একটি ইউনিট হিসেবে বিক্রি হয়। কয়েকটি ইউনিট মিলে একটি লট করা হয়। যেমন_১০০, ২৫০, ৫০০ ইত্যাদি। অর্থাৎ ১০ টাকা যদি এক ইউনিটের দাম হয় এবং ২৫০টিতে যদি ওই কম্পানির একটি লট হয় তবে প্রতি লটের প্রাথমিক দাম হবে ২৫০০ টাকা।

শেয়ারবাজার কী
এই বাজারে শেয়ার কেনাবেচা হয়। যিনি শেয়ার হোল্ডার তিনি চাইলে এখানে তাঁর শেয়ার অন্য যে কারো কাছে বিক্রি করতে পারেন। অন্য কোনো শেয়ার হোল্ডারের শেয়ার কিনতেও পারেন। পণ্য হিসেবে শেয়ার এখানে দৃশ্যমান কিছু নয়, মালিকানার অংশ অর্থের বিনিময়ে আরেক জনের কাছে হস্তান্তর মাত্র।

বাংলাদেশে দুটি শেয়ারবাজার আছে_ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। শেয়ার শব্দটির আরেকটি পরিভাষা স্টক। এক্সচেঞ্জ অর্থ বিনিময়। এই দুটি বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি বা সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। সিকিউরিটি শেয়ারের আরেকটি ইংরেজি পরিভাষা। কোন নিয়মে শেয়ারবাজার চলবে তা নিয়ন্ত্রণ, সময়ে সময়ে সংশোধন, পরিমার্জন, অনিয়ম প্রতিরোধ ও ব্যবস্থা গ্রহণ, বিনিয়োগকারীর নিরাপত্তা বিধানসহ বেশ কিছু কাজ করে এই কমিশন।

কারা শেয়ার কিনতে পারেন
কয়েকটি শর্ত পূরণ করলে যে কেউ শেয়ার কেনাবেচা করতে পারেন। বয়স কমপক্ষে ১৮ হতে হবে। শেয়ার কেনাবেচার জন্য একটি বিও বা বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। শেয়ারের টাকা লেনদেনের জন্য একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

বিও অ্যাকাউন্ট কিভাবে করতে হয়
প্রত্যেক স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদিত এজেন্ট আছে। এই এজেন্ট ব্রোকারেজ হাউস নামে পরিচিত। এসব প্রতিষ্ঠানে বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। যে প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্ট খুলবেন লেনদেন তাদের মাধ্যমেই করতে হবে। আপনার লেনদেনকৃত অর্থের কিছু কমিশন তারা পাবে পরিচালনা ব্যয় হিসেবে।
বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে লাগে_নিজের পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নমিনির পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড বা পাসপোর্টের ফটোকপি, যে ব্যাংকের মাধ্যমে শেয়ারের টাকা লেনদেন করবেন সেই ব্যাংকের একটি সার্টিফিকেট এবং ব্রোকারেজ হাউস নির্ধারিত ফি। এই ফি এক থেকে দেড় হাজার টাকা হয়। সাধারণত তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর ও গ্রাহক পরিচিতি নম্বর দেওয়া হয়। আর তখনই শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন।

প্রাইমারি শেয়ার ও সেকেন্ডারি শেয়ার কী
প্রাইমারি শেয়ার আইপিও বা ইনিশিয়াল পাবলিক অফার নামে পরিচিত। নির্দিষ্ট সময়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে শেয়ার কিনতে আগ্রহীদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করে কম্পানি। আবেদনকারীর সংখ্যা মোট শেয়ার লটের চেয়ে বেশি হলে লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত কয়েক বছর ধরে প্রায় সব কম্পানির ক্ষেত্রে দেখা গেছে আবেদনকারীর সংখ্যা ১০ গুণ থেকে ৮০-৯০ গুণ পর্যন্ত হয়েছে। এই প্রাইমারি শেয়ার যখন শেয়ারবাজারে লেনদেনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, তখন যেকোনো বিও অ্যাকাউন্টধারী তা বাজারমূল্যে কিনতে পারেন ও কেনা শেয়ার বেচতে পারেন। এটাই সেকেন্ডারি মার্কেট।

শেয়ার কেনাবেচার প্রাথমিক জ্ঞান
প্রাইমারি শেয়ার বরাদ্দ পেলে তাতে সাধারণত বিনিয়োগকারী লাভবান হয়ে থাকেন। এমনও দেখা গেছে ১০ টাকা দামের একটি প্রাইমারি শেয়ারবাজারে আসার দিনই ২০০ টাকায় বা তারও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। যেহেতু লটারিতে বরাদ্দ হয় তাই এখানে বিচার-বিবেচনার সুযোগ নেই কিন্তু সেকেন্ডারি বাজারে কেনাবেচার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে। অন্যথায় লাভের চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে।
যেমন_পিই রেশিও, এনএভি বা নেট অ্যাসেট ভ্যালু বা প্রকৃত সম্পদ মূল্য, ইপিএস বা আরনিং পার শেয়ার, ইয়ার এন্ড বোনাস, রাইট শেয়ার, রেকর্ড ডেট, অথরাইজড ক্যাপিটাল বা অনুমোদিত মূলধন, পেইড আপ ক্যাপিটাল বা পরিশোধিত মূলধন ইত্যাদি।

পিই রেশিও বা আয় অনুপাত
প্রাইস আর্নিং রেশিও বা পিই রেশিও হলো কম্পানিটির প্রতিটি ইউনিট বা শেয়ারে বাজার মূল্যের সঙ্গে আয়ের অনুপাত। সহজভাবে বললে, কোনো কম্পানির শেয়ারের দাম যদি বাজারে ১০০ টাকায় বিক্রি হয় এবং ওই কম্পানিটি প্রতি শেয়ারের বিপরীতে বছরে ২০ টাকা আয় করে তবে ওই শেয়ারের পিই রেশিও ১০০/২০ বা ৫। পিই রেশিও যত কম হবে সাধারণভাবে ধরে নেওয়া যায় ওই কম্পানির অবস্থা তত ভালো।

ইপিএস বা আর্নিং পার শেয়ার
সংশ্লিষ্ট কম্পানিটি একটি শেয়ারের মূল্য বা প্রাথমিক দামের বিপরীতে বছরে কত টাকা আয় করছে সেটাকে বলে ইপিএস। একটি কম্পানি যদি প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে বছরে ১১ টাকা আয় করে তবে ওই কম্পানির ইপিএস হবে ১১। ইপিএস যত বেশি হবে সেই কম্পানির অবস্থা ততটাই ভালো।

বোনাস ও লভ্যাংশ
প্রতিটি কম্পানি বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে তাদের আয় ও ব্যয়ের হিসাব করে। সে অনুপাতে শেয়ার হোল্ডারদের তারা লভ্যাংশ দেয়। সাধারণত এ লভ্যাংশ বোনাস শেয়ার এবং নগদ টাকা হিসাবে দেওয়া হয়। যদি কোনো কম্পানি ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে তবে আপনার ক্রয়কৃত শেয়ারের মূল দামের ৩৫ শতাংশ নগদ টাকা পাবেন। যেমন_১০ টাকা মূল্যমানের একটি শেয়ার যদি বাজার থেকে ২৫০/৫০০/১২০০ টাকায় কেনেন এবং কম্পানিটি ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে তবে আপনি শেয়ারপ্রতি পাবেন ৩.৫ টাকা। এখানে কত দামে শেয়ারটি কিনলেন সেটা মুখ্য নয়, শেয়ারটি কম্পানি আইপিওতে প্রিমিয়াম ছাড়া কত টাকায় প্রাইমারি শেয়ার হিসেবে বিক্রি করেছিল সেটাই হিসাবে আসবে।
অন্যদিকে কম্পানি যদি ৩৫ ভাগ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করে তবে আপনার ক্রয়কৃত প্রতি ১০০টি শেয়ারের বিপরীতে ৩৫টি শেয়ার পাবেন। সে ক্ষেত্রে আগে থেকে যদি আপনার ১০০টি শেয়ার থাকে তবে তা বেড়ে ১৩৫টিতে উন্নীত হবে এবং চাইলে আপনি বাজারমূল্যে তা বিক্রি করতে পারবেন।

রাইট শেয়ার
আইপিও বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে নয়, রাইট শেয়ার কিনতে পারেন তাঁরাই যাঁরা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কম্পানির শেয়ার কিনেছেন। সাধারণত কম্পানি যখন তার মূলধন বাড়ায় তখন এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে রাইট শেয়ার ছাড়ে। বিনিয়োগকারীদের কাছে এই রাইট শেয়ার খুব লাভজনক বিবেচিত হয়। কারণ রাইট শেয়ার কেনার সুযোগ পাওয়া যায় তুলনামূলকভাবে বাজারে ওই কম্পানির শেয়ারের দামের চেয়ে কম দামে। তাই বিনিয়োগকারীরা কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার সুযোগ পান রাইট শেয়ার কেনার সুযোগ পেলে।

ইয়ার এন্ড
লভ্যাংশ, বোনাস এগুলো সারা বছর কোনো কম্পানি দেয় না। বছরে একবার দেয়। প্রত্যেকটি কম্পানির একটি নির্ধারিত অর্থবছর আছে। সাধারণত জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর এক বছর হিসাব করা হয়। ডিসেম্বর শেষে কম্পানি সারা বছরের হিসাব করে এবং সে হিসাবে শেয়ার হোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদান করে। তাই যে কম্পানির লভ্যাংশ ডিসেম্বর শেষে ঘোষিত হয় সেগুলোর দাম ওই সময়টাতেই বেশি থাকে। সে কারণে বিনিয়োগকারীরা লভ্যাংশ ঘোষণার কিছুকাল আগে যখন শেয়ারের দাম কম থাকে তখন কিনতে আগ্রহী হন এবং দাম বাড়লে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হন। তবে সব কম্পানির ইয়ার এন্ড বা বর্ষ শেষ ডিসেম্বর নয়, কোনো কোনো কম্পানির জুনে, মার্চে এবং অক্টোবরেও আছে। তাই শেয়ার কেনাবেচার সময় স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে ওই কম্পানি সম্পর্কিত তথ্যে ইয়ার এন্ড কবে তাও খেয়াল রাখুন।

এনএভি বা প্রকৃত সম্পদ মূল্য
এনএভি বা নেট অ্যাসেট ভ্যালু বা প্রকৃত সম্পদ মূল্য যত বেশি হবে ওই কম্পানির ব্যবসায়িক অবস্থান তত সুদৃঢ়_এটাই স্বাভাবিকভাবে মনে করা হয়। ধরা যাক, ১৯৯৯ সালে একটি ব্যাংকের একটি শেয়ার ১০০ টাকায় কিনেছিলেন। বর্তমানে ওই ব্যাংকটির নিজস্ব সম্পত্তি বেড়েছে। বর্ধিত সম্পদের মূল্য হিসাব করে ওই কম্পানিটির মোট সম্পদ মূল্যকে মোট শেয়ার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যা হবে সেটাই এনএভি। ধরা যাক, এই ভাগফল হলো ৪৯৭। তাহলে বলা যায় ১০০ টাকার যে শেয়ারটি আপনার কাছে আছে তার বিপরীতে কম্পানিতে সম্পদ আছে ৪৯৭ টাকার। অর্থাৎ ১১ বছরে আপনার একটি শেয়ারের প্রকৃত মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৯৭ টাকা। শেয়ার কেনাবেচার সময় তাই বিনিয়োগকারী হিসাবে এনএভি কত তা জানতে হবে। এ সংক্রান্ত তথ্যও পত্রিকার বাণিজ্য পাতায় ও স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়।

রেকর্ড ডেট
কম্পানি বছরে একবার লভ্যাংশ দেয়, কখনো কখনো রাইট শেয়ার দেয় বা বার্ষিক সভা (এজিএম) বা বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করে কম্পানি পরিচালনাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। তাহলে কোনো কম্পানির লভ্যাংশ বা রাইট শেয়ার বা এজিএমের অংশ হতে হলে সারা বছর শেয়ার ধরে রাখতে হবে? না, সাধারণত কম্পানিগুলো লভ্যাংশ, রাইট, এজিএম, ইজিএম ইত্যাদি যখন ঘোষণা করে তখন রেকর্ড ডেটও ঘোষণা করে। অর্থাৎ ওই রেকর্ড ডেট বা তারিখে যাঁর হাতে শেয়ার থাকবে তিনি-ই লভ্যাংশ, রাইট শেয়ার ইত্যাদি পাবেন। কেউ যদি রেকর্ড ডেটের ঠিক আগের দিন শেয়ার কিনে রেকর্ড ডেটের পরের দিনও তা বিক্রি করেন তবুও তিনিই পাবেন লভ্যাংশ, রাইট শেয়ার। তাই বিনিয়োগ করার সময় রেকর্ড ডেট বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে।

অনুমোদিত মূলধন ও পরিশোধিত মূলধন
স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত প্রত্যেক কম্পানির একটি নির্দিষ্ট মূলধন অনুমোদন করে থাকে (সাধারণত পরিচালনা পরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর তা কার্যকর হয়) এসইসি বা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। এটি অনুমোদিত মূলধন বা অথরাইজড ক্যাপিটাল বলে। তার বিপরীতে কম্পানিতে কত টাকার মূলধন সত্যিকার অর্থে আছে সেটাই পেইডআপ ক্যাপিটাল বা পরিশোধিত মূলধন। যেমন_কোনো কম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা কিন্তু পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কম্পানি তার শেয়ার হোল্ডারদের কাছ থেকে রাইট শেয়ার ছেড়ে পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে পারে। তাই বিনিয়োগকারীরা মূলধনসংক্রান্ত বিষয়কেও বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেন। সাধারণত তাঁরা মনে করেন অনুমোদিত মূলধন বেশি ও পরিশোধিত মূলধন কম হলে কম্পানিগুলোর রাইট শেয়ার দেওয়ার বেশি সম্ভাবনা রয়েছে।

শুরু হচ্ছে অনলাইন ট্রেডিং
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারি নাগাদ অনলাইনে শেয়ার কেনা-বেচার পদ্ধতি শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে যেকোনো গ্রাহক ইন্টারনেটের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজের সুবিধামতো শেয়ার কিনতে পারবেন এবং বিক্রি করতে পারবেন। ফলে এখনকার মতো ব্রোকার হাউজে অর্ডার দিয়ে লেনদেনের ঝামেলা থাকবে না।

তবে শুরু করুন
শেয়ার ব্যবসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পুঁজি। শেয়ারবাজার ব্যবসা খুব অল্প পুঁজি দিয়েও শুরু করা যায়_তাই ধীরে ধীরে শুরু করুন। আর হ্যাঁ, যে কথাটি বিশেষজ্ঞরা সব সময় বলেন সেটি মনে রাখতে হবে। গুজবে কান দিয়ে শেয়ার কেনা-বেচা করবেন না। এতে আপনার পুঁজি যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হবে তেমনি শেয়ারবাজারও হবে অস্থিতিশীল।

All Tips: Computer Tips, Internet Tips, Printing Tips, Health Tips, Life Tips, Household Tips, Career Tips, Earn By Internet, Phone Tips, Photography Tips, Fashion Tips, Hair Tips, Summer Tips, Travel Tips, Winter Tips etc.

All Blog: All Travel Way, Recipe BD, All Health BD, Dhaka All, Bangla Poetry, Bird sanctuary bd, Wallpaper All Free, Free Treatment Bd etc.

Thursday, September 16, 2010

নতুন চাকরি প্রার্থীদের কিছু ভুল

নতুন চাকরি প্রার্থীদের কিছু ভুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে অধিকাংশ ব্যক্তিরই চাওয়া থাকে একটা ভালো চাকরি। কিন্তু কজনই বা শুরুতে সফল হয়! ইয়াহু জবসের ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু কারণ খুঁজে বের করেছেন। এসব ভুলের কারণে নতুন গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীরা পছন্দের চাকরিটি খুঁজে পান না।
* পাস করে বের হয়ে অনেকেই কিছুদিন বিশ্রাম নিতে চান। এটাই বড় ভুল। ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চাকরি খুঁজতে সক্রিয় হওয়া উচিত।
* একটি সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী ৫৭ শতাংশ নতুন চাকরিপ্রার্থী মনে করেন, চাকরির বিজ্ঞপ্তি কেবল ইন্টারনেটে থাকে। ইন্টারনেটে আবেদন করবেন আর চাকরি মিলে যাবে। এ ধারণা কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজে লাগলেও এটাই চাকরি পাওয়ার একমাত্র উপায় নয়।
* নতুন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য নেটওয়ার্ক থাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিসংখ্যান বলে বেশির ভাগেরই প্রথম চাকরি হয় পরিচিত কারো সুপারিশে।
* অনেকেই চাকরির জন্য আবেদন করেন আর ভাবতে থাকেন চাকরিদাতা ফোন করে চাকরিটা দিয়ে দেবেন। বাস্তবে এমনটা খুব কমই হয়। ফলোআপ করাটা জরুরি।
* অনেকে শুরুতেই খুব ভালো চাকরির প্রত্যাশা করেন। চাকরির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তা তো মানতে হবে। শুরুতে বেশি উচ্চাশার কারণেই অনেকে চাকরি খুঁজে পেতে দেরি করে ফেলেন।
সূত্র: ইয়াহু জবস

Thursday, August 19, 2010

হতে পারেন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট

হতে পারেন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরক্ত তো বটেই, রোগীর দেওয়া যেকোনো নমুনা পরীক্ষা করেন প্যাথলজি মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা। ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় নমুনাও পরীক্ষা করেন তাঁরা। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ব্লাড ব্যাংক, ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিতে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের কাজ করার সুযোগ আছে। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পরই প্যাথলজিতে বিএসসি করতে পারেন। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মারজান ইমু
প্যাথলজি কী
ল্যাবরেটরি সায়েন্সের একটি শাখা প্যাথলজি। রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্ত, মূত্রসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এখানে। নির্ণয়ের পর কোন অ্যান্টিবায়োটিক কতটুকু প্রয়োগে জীবাণু নির্মূল সম্ভব তাও জানায় প্যাথলজি বিভাগ। এখানে যাঁরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজটি করেন তাঁদের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট বলা হয়। মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট রিপোর্ট তৈরির পর প্যাথলজিস্ট সেটি পুনরায় নিরীক্ষা করেন। প্রদত্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ডাক্তার চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
কাজের ক্ষেত্র
দিন দিন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের চাহিদা বাড়ছে। অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিক গড়ে উঠছে। প্যাথলজি বিভাগও বাড়ছে। যেহেতু রোগ নির্ণয় না করে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয় তাই মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে। এ ছাড়া সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জেলা হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা নিয়োগ পেয়ে থাকেন। বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা কাজ করে থাকেন। উপরন্তু সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশেই বিএসসি ইন প্যাথলজিস্ট পাসকৃতদের বেশ চাহিদা আছে।

কাজের সময়
প্রতিষ্ঠানভেদে কাজের সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। মেডিক্যাল কলেজগুলোতে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকগুলোতে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের ডিউটি টাইম শিফট হিসেবে ভাগ করা থাকে। সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় মর্নিং, ইভিনিং ও নাইট তিন শিফট থাকে। মর্নিং শিফট সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা; ইভিনিং শিফট বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা এবং নাইট শিফট রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা।

প্রাথমিক বেতন
এ বিষয়ে পড়াশোনা করার বড় সুবিধা হলো, ডিপ্লোমা বা গ্র্যাজুয়েশন করার পর পরই চাকরি পাওয়া যায়। শুরুতে সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা মেডিক্যাল কলেজে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা ছয় হাজার ৪০০ টাকা বেতন স্কেলে চাকরি পান। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেতন আট হাজার থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, নার্সিংহোম ও ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিতে অল্প সময়ের মধ্যে পদোন্নতি পাওয়া যায় এবং বেতনও বৃদ্ধি পায়।

যোগ্যতা
প্যাথলজিতে বিএসসি পড়ার জন্য দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। একটি ঢাকা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি এবং অন্যটি রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি। এগুলোতে পড়তে হলে এসএসসি ও এইচএসসিতে অবশ্যই বিজ্ঞান শাখায় পড়ে আসতে হবে। আর জীববিজ্ঞানসহ এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদা করে ৩.৫ পেয়ে মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০ হতে হবে। এখন বেশ কিছু বেসরকারি ইনস্টিটিউট গড়ে উঠেছে, যেখানে প্যাথলজিতে বিএসসি পড়া যায়। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়তে সাধারণত বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ কমপক্ষে ২.০ পেয়ে মোট জিপিএ ৫.০ থাকতে হবে।

মেয়েদের কাজের সুযোগ
এ পেশায় মেয়েদের অনেক সুযোগ, যদিও মহিলা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের সংখ্যা ছেলেদের তুলনায় কম। বর্তমানে অবশ্য ছেলেদের পাশাপাশি অনেক মেয়ে এ বিষয়ে পড়াশোনা করছে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানেই মেয়েরা এ পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

যেখানে পড়তে পারেন
* ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, মহাখালী, ঢাকা। ফোন : ৯৮৮৮৯৪০।
* ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, রাজশাহী।
* স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
ঠিকানা : ৭৭ সাতমসজিদ রোড, ধানমণ্ডি, ঢাকা। ফোন : ৮১৫১৭৮১-৫, ৮১২৬২৭২-৩।
কোর্সের খরচ : দুই লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
* নিউল্যাব ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি
৩/১৮ ইকবাল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২০৯৭৬৪০
কোর্সের খরচ : এক লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
* সাইক ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি
ঠিকানা : বাড়ি-৯, রোড-২, ব্লক-বি, মিরপুর-৬, ঢাকা।
ফোন : ৮০৩৫০৯৫
কোর্সের খরচ : দুই লাখ ৫৬ হাজার টাকা।
* ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি
বাড়ি-৬৮, রোড-৪, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা।
ফোন: ৮০২১৯৫৫, ০১১৯৯৪৬০৬৬৭
কোর্সের খরচ : এক লাখ ৫২ হাজার টাকা।

Saturday, July 31, 2010

বিআইএর ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট কোর্স

প্রশিক্ষণবিআইএর ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট কোর্স ফরহাদ হোসেন
বাংলাদেশে জীবন বীমা এবং সাধারণ বীমা দুই ধরনের বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে অনেক বীমাকর্মী। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন লোক নিয়োগ করা হচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানে। বীমা সেক্টরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে যাঁরা দক্ষতা অর্জন করতে চান তাঁদের জন্য বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স একাডেমী আয়োজন করেছে এমনই এক প্রশিক্ষণ কোর্সের।
বীমা প্রতিষ্ঠানে চাকরি একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা। দুই ধরনের বীমা পরিচালনায় কিছু কিছু দক্ষতা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। যেমন_অর্থায়ন ও হিসাব ব্যবস্থাপনা। তাই এ দুটি বিষয় সম্পর্কিত যাবতীয় কৌশল শেখানো হবে কোর্সটিতে।

যাঁরা অংশ নিতে পারবেন
বিভিন্ন বীমা প্রতিষ্ঠানে জুনিয়র/মিডলেভেল/সিনিয়র অফিসার বা যারা এ সম্পর্কিত পদে ফাইন্যান্স, অ্যাকাউন্টিং বা অডিট ডিপার্টমেন্টে যাঁরা কর্মরত, মূলত তাঁদের জন্যই কোর্সটি আয়োজন করা হয়েছে। যাঁরা এ বিষয়ে কাজ করতে এসে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তাঁদের সমস্যা সমাধানের জন্য কোর্সটি বেশ কার্যকর। এ ছাড়াও যাঁরা বীমা প্রতিষ্ঠানে ফাইন্যান্স বা অ্যাকাউন্টিং ব্যবস্থাপনায় কাজ করতে চান তাঁরাও অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নূ্যনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হবে।

কোর্সের বিষয়
যেসব বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে সেসব বিষয়ের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো_অর্থায়ন ব্যবস্থাপনায় বর্তমান সময়ে বিভিন্ন নিয়ম, ইনস্যুরেন্স কম্পানির ব্যবহৃত বিভিন্ন হিসাবসংক্রান্ত নিয়ম, বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন তৈরি এবং হিসাব শাখায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ফরমেট, বিভিন্ন ধরনের হিসাবের বৈশিষ্ট্য, নীতি, রেকর্ড বইয়ে ব্যবহৃত_পেটি ক্যাশ বুক, ব্যাংক বুক, সাধারণ লেজার বুক, সাবসিডিয়ারি লেজার বুক, জার্নাল রেজিস্টার, প্রিমিয়ার রেজিস্টার, বিল রেজিস্টার ইত্যাদি এবং ক্যাশ ভাউচার, ব্যাংক ভাউচার, মানি রিসিট, ডিপোজিট স্লিপ, এডজাস্টমেন্ট জার্নাল, ডিপোজিট প্রিমিয়াম, আউটস্ট্যান্ডিং প্রিমিয়াম ইত্যাদি।

কোর্সের সময়কাল
সাত দিনব্যাপী কোর্সটি ২ আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। ক্লাস হবে বিকেল ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। ছুটির দিন বাদে সপ্তাহের অন্যান্য দিন ক্লাসগুলো চলবে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। সর্বোচ্চ ৩০ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোর্স শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করা হবে।

ভর্তি পদ্ধতি ও কোর্স ফি
আগ্রহী প্রার্থীদের প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে কোর্স ফি বাবদ জনপ্রতি দুই হাজার টাকা জমা দিতে হবে। কোর্স ফি নগদে অথবা ক্রসড চেকের মাধ্যমে যেকোনো ব্যাংকের শাখা থেকে 'মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স একাডেমী ঢাকা'র অনুকূলে জমা দিতে হবে।

প্রশিক্ষক হিসেবে যাঁরা থাকছেন
কোর্সটিতে প্রশিক্ষক হিসেবে থাকছেন ড. মোশাররফ হোসেন এফসিএ, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স; মেজবাহ উদ্দিন, যুগ্ম পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক; সগীর হোসেন খন্দকার, সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়; পি কে রায়, এমডি, রূপালী ইনস্যুরেন্স; আবদুল হাশেম এফসিএ, ডিএমডি, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স; সাইফুল ইসলাম সিএ, কো-সেক্রেটারি, জনতা ইনস্যুরেন্স; হাসান খান, কো-সেক্রেটারি, সিটি ইনস্যুরেন্স। এ ছাড়াও আরো আমন্ত্রিত প্রশিক্ষক থাকবেন।

যোগাযোগ
কোর্সবিষয়ক বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন
এস এম ইব্রাহিম হোসাইন
কোর্স কো-অর্ডিনেটর ও ফ্যাকাল্টি মেম্বার (ইনচার্জ)
ফোন : ৯৮৯৯১৩৬, ৯৮৯৯২৯২-৩, মোবাইল : ০১১৯৮-০৭৩১১১,
বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স একাডেমী, ৫৩ মহাখালী, ঢাকা-১২১২।

Wednesday, July 14, 2010

বীমা প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার

বীমা প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ারবীমা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকর্মী পদটি আপাতদৃষ্টিতে আকর্ষণীয় না হলেও এখানে আয়ের একটি ভালো সুযোগ রয়েছে। অথচ এখানে কাজ করতে হলে খুব বেশি প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেটেরও প্রয়োজন হয় না। বীমা প্রতিষ্ঠানে কাজের বিস্তারিত জানাচ্ছেন মারজান ইমু ও রোমেল খান।

জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি বাড়ছে উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে। সেই সঙ্গে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিধি বাড়ছে। ঝুঁকি মোকাবেলায় মানুষও অবলম্বন চায়। বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো সময়ের চাহিদা বুঝে নতুন নতুন পলিসির প্রচলন ঘটায়। উন্নয়নকর্মী সেসব পলিসি জনে জনে পেঁৗছে দেয় এবং তাঁদের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করে।
কাজের যোগ্যতা
প্রতিষ্ঠানভেদে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নকর্মী নিয়োগের জন্য যোগ্যতা ও বিভিন্ন অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। আলিকো বাংলাদেশ-এ উন্নয়নকর্মী বা এজেন্ট পদে নিয়োগের জন্য নূ্যনতম স্নাতক পাস হতে হয়। বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা করপোরেশনের এজেন্ট হতে হলে নূ্যনতম এসএসসি পাস হতে হয়। এ ছাড়া অন্য প্রাইভেট কম্পানিগুলোয় (যেমন : সানলাইফ, ডেল্টা, ফারইস্ট, হোম লাইফ ইত্যাদি) শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি চাওয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি আরো কিছু বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়। যেহেতু এখানে গ্রাহকদের বোঝানোর বিষয়টি থাকে। এ কারণে প্রার্থীর কমিউনিকেশন স্কিল ভালো হতে হয়। তাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল, সৎ ও দূরদর্শিতাসম্পন্ন হতে হয়। এ ছাড়া এ সেক্টরে কাজ করতে হলে স্মার্টনেস থাকা জরুরি।
প্রতিষ্ঠানভেদে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া
সাধারণত উন্নয়নকর্মী পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্রাঞ্চ বা এজেন্সি ম্যানেজারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ পদে নিয়োগের জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রেফারেন্স বা পরিচিত মাধ্যম থেকে আবেদন সংগ্রহ করা হয়। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হলেও নিয়োগের জন্য ভাইভার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ভাইভায় প্রার্থীর কনভিন্সিং পাওয়ার, সাংগঠনিক দক্ষতা, ধৈর্য ইত্যাদি বিষয় যাচাই করা হয়, ভাইভার পর নির্বাচিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে প্রার্থীকে নির্দিষ্টসংখ্যক পলিসি করানোর একটি টার্গেট দেয়।
পদের বিন্যাস
প্রতিষ্ঠানভেদে ডেভেলপমেন্ট ডিভিশন বা উন্নয়ন বিভাগের পদের বিন্যাসও ভিন্ন ভিন্ন হয়। জীবন বীমা করপোরেশন থেকে জানা গেছে, এখানে চাকরি শুরু হয় উন্নয়নকর্মী বা এজেন্ট হিসেবে। তার পরবর্তী ধাপগুলো যথাক্রমে ডেভেলপমেন্ট অফিসার বা ডিও, ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার বা ডিএম, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (সেলস) ইত্যাদি। আবর আলিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের পদের বিন্যাস এ রকম : এজেন্ট, ইউনিট ম্যানেজার ও এজেন্সি ম্যানেজার ইত্যাদি। অপরদিকে ডেল্টা ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের পদবিন্যাস যথাক্রমে : এজেন্ট, মার্কেটিং অফিসার, এজেন্সি ম্যানেজার, ইনচার্জ ইত্যাদি। তবে সব বীমা প্রতিষ্ঠানেরই প্রাথমিক পদটি হচ্ছে এজেন্ট।

কাজের ক্ষেত্র
আলিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের উন্নয়ন বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, উন্নয়ন বিভাগের কার্যক্রম দেশব্যাপী বিস্তৃত। এ বিভাগের কর্মীদের নিয়োগের পর সাধারণত কাজের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়, যা প্রার্থীকে অবশ্যই পূরণ করতে হয়। হোমল্যান্ড লাইফ ইনস্যুরেন্সের একজন কর্মকর্তা জানান, এ বিভাগে যাঁরা কাজ করতে চান, তাঁদের কাজের ক্ষেত্র অনেক। তা ছাড়া ভালো কাজ করলে এবং কমিউনিকেশন স্কিল ভালো থাকলে দ্রুত পদোন্নতি পাওয়া যায়।

প্রাথমিক বেতন
বীমা কম্পানিগুলোর উন্নয়ন বিভাগের কর্মীদের সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো বেতন কাঠামো থাকে না। প্রতি মাসে এসব কর্মীর নির্দিষ্ট কিছু বীমা করানোর লক্ষ্যমাত্রা থাকে। সেই অনুযায়ী গ্রাহকদের রাজি করিয়ে বীমা করাতে হয় এবং এখান থেকেই তাঁরা নির্দিষ্ট অঙ্কের কমিশন পেয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে বেশি বীমা করালে বেশি কমিশন পাওয়া যায়। ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্সের একজন উন্নয়নকর্মী জানান, বেতন নির্দিষ্ট না হলেও এখান থেকে ভালো একটা আয়ের সুযোগ রয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রতি মাসে গড়ে তাঁর উপার্জন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। তবে জীবন বীমা করপোরেশনের এজেন্ট থেকে ডেভেলপমেন্ট অফিসার (ডিও) হলে সরকারি বেতনস্কেলে মাসিক বেতন পেয়ে থাকে এবং এর সঙ্গে কমিশনও থাকে।

কতটুকু সময় দিতে হয়
কাজের সময় সাধারণত সরকারি নিয়মানুযায়ী সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে আলিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের একজন উন্নয়নকর্মী আমাদের জানান, এই সেক্টরে কাজের নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। আপনি যদি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে কোথাও বেড়াতে যান, সেখানেও গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার প্রয়োজনই আপনাকে ঠিক করে দেবে কতটুকু সময় দিতে হবে।

কাজ আছে যেখানে
জীবন বীমা করপোরেশন এবং আমেরিকান লাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি (আলিকো) দুটি বড় প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া রয়েছে ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি, সানলাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি, ফারইস্ট লাইফ ইনস্যুরেন্স, হোমল্যান্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স, মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি, সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি, গোল্ডেন লাইফ ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি।

মেয়েদের কাজের সুযোগ
জীবন বীমা করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা জানান, এখান মেয়েদের কাজের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, এখানে কাজ করতে সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার তা হলো গ্রাহককে বোঝানোর ক্ষমতা। আর এ ক্ষমতা যার রয়েছে সে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক এ পেশায় উন্নতি করতে পারবে। ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের একজন কর্মকর্তা জানান, 'আমাদের প্রতিষ্ঠানে প্রচুর মহিলা কর্মী রয়েছেন। আসলে মেয়েরা খুব সহজেই গ্রাহকদের বোঝাতে পারেন, তাই এ পেশায় মেয়েরা ভালো করতে পারে।

Friday, April 23, 2010

8 Easy Ways to Boost Your Salary

by Mary Fineday, Mary Fineday is a freelance writer in Austin, Texas.


Work smarter, not harder. Take simple steps that will help you supersize your paycheck, get more respect at work, and develop a career that truly suits you.
From career training to communication tips, check out our list of ways to boost your paycheck.

Specialize. Are you feeling like you're spread too thin over too many tasks? Become an expert at a few major responsibilities in order to make yourself indispensable in the office. A brief online course can help. For example, if your boss relies on PowerPoint presentations, learn more about the software package and help with the weekly presentation duties.
Diversify. On the flip side, a narrow range of skills could work against you in an office where only a few people perform the majority of the tasks. Think about where you can diversify your skills to offer more value to the team. For example, your front-office clerical skills could be combined with medical assistant training to help prepare you to work in a small doctor's office. The U.S. Bureau of Labor Statistics (BLS) reports a median yearly wage of $28,300 for medical assistants, with the top 25 percent earning $33,050.
Train yourself. Think about where you want your career to be in five or ten years. If people at work are always asking you for help with their computers, why not make it official? An associate's degree in IT can help move you into an official role as your company's computer-support specialist. Your employer should be pleased to find that you took the initiative to educate yourself. Computer-support specialists earn a median annual wage of $43,450, while the top 25 percent earn $55,990.
Train others. Prove your value in the workplace by offering to lead training sessions for new hires. Expressing the desire to train others proves your interest in the company, as well as your willingness to take a leadership position and a position of responsibility. Business classes in human resource management and communications can give you the knowledge you need to help new hires begin their careers at your company.
Manage. Interested in climbing up the corporate ladder? Do your part to make your way into a management position. If you have little or no previous management experience, a degree in business administration such as an MBA can help give you the management tools you need to operate confidently at a management level. Then you can combine your work experience with education and rise above your competition. According to the BLS, workers with a master's degree earn an average of almost $200 a week more than those with a bachelor's degree only.
Get certified. Computer certification in technologies such as Cisco, Microsoft, and Linux have value in jobs ranging from help-desk support to high-level project management. Combined with your degree in computer science, finance, or a related field, the certification process gives you a chance to prove your knowledge, keep your technical skills current, and show off your commitment to your job. Network and computer-systems administrators are expected to remain current on new technologies. They earned a yearly median wage of $66,310 in 2008, with the top 25 percent earning $84,110.
Ask. Perhaps the easiest salary-boosting tactic is also one of the most overlooked: asking for what you want. Otherwise, your boss may not know that you're thinking of advancing your career. Set up a meeting and ask what you can do to earn more. Present some ideas and learn more about your strengths and weaknesses as an employee. From there, you should have a clearer picture of how to improve; what's more, your boss will realize you want to.
Move on. Sometimes, a simple salary boost can't be found. If you find yourself stuck in a go-nowhere job, think about using education and training to make the move to a position that is more in line with your ambition and ability.
Of course, none of the tips above can guarantee a higher salary. However, it's a good idea to take some time out of every year to consider where you stand on the office payroll. With a move as simple as a little career training, you can boost your paycheck and earn what you deserve.

Sunday, March 28, 2010

Free Resume Writing Tips: Finding the Right Job in the 21st Century

As you consider entering into the market in search of your first job (or if you have decided to take the plunge and switch jobs), you need a powerful resume to open doors for you in your job search. In order for you to be in a position to build an effective and meaningful resume, we offer to you this selection of resume writing tips, free of charge.

By following these tips on writing a resume, you will be in a far better position to start your job search on the proper foot. These free tips on resume writing have been tested and proven effective time and time again.

Because of the importance of crafting an ideal resume, we strongly suggest that you take the time to review and consider these tips for writing a resume before you begin your on process of building or writing your resume.

  • Be honest in your resume.

    Unfortunately, when it comes to writing a resume, this particular pointer on our list or resume writing tips free is perhaps the most important. In this day and age, when it does come to resume writing tips free, this tip oftentimes is overlooked or ignored. You need to keep in mind that in this high tech age, false information on a resume can be detected easily.
  • List your educational background.

    Another important pointer on out free resume writing tips list is that you should list out your educational background within your resume. Include institutions from which you obtained a degree, any special certifications that you may have received and any other noteworthy educational or training achievements.
  • List your work experience.

    Make certain that you provide a thorough listing of your prior employment experiences. When it comes to our free tips on resume writing, this is a very important -- indeed, crucial -- element of any resume. You also want to make certain that there are no unexplained gaps in your employment history.
  • Make sure you include special skills.

    Another of our tips for writing resume is that you should make certain that you include and list any special skills that you do have. For example, if you are talented with computers on one level or another, you will want to make certain that you list out these special skills on your resume.
  • Keep your contact information current.

    When it comes to tips on resume writing one of the most common mistakes that people make is found in the fact that they do not maintain current contact information on their resumes. As surprising as that sounds, people will move or change their phone numbers and they will not make appropriate changes on their resumes.
  • Include both a telephone number and an email address.

    Another of our resume writing tips free focuses on the necessity of including both a telephone number and an email address on your resume. Some potential employers in this day and age prefer contacting people via telephone while others rely exclusively on the Internet and email to deal with job applicants.
  • Do not list references.

    In considering tips on writing a resume, it is important that you not -- repeat, not -- include your references on your resume. You should include a phrase such as “References Furnished Upon Request.” But, again, do not include a listing of your references.
  • Do not overkill … keep your resume short.

    Unfortunately, one of the tips for writing resume that oftentimes is overlooked is the need to keep a resume at an appropriate length. People oftentimes drone on and on and prepare unduly long resumes. Oftentimes a potential employer simply will not read or review a resume that comes into the office with too many pages.
  • Don’t use unusual colored paper or ink.

    One of the tips for writing resume that you should always bear in mind is that you should not use any unusually colored paper or ink on your resume. Truly, white paper and black print is the best. In some instances, it might be acceptable to move to a light gray paper and a dark blue ink. However, when all is said and done, when it comes to our tips for writing resume, you are best served by sticking with white paper and black ink.
  • Make certain your spelling and grammar are correct.

    In considering our free resume writing tips, don’t make yet another common mistake that frequently is made when it comes to a resume. Do not submit a resume that contains spelling or grammatical errors. Nothing will prevent you from obtaining an interview for a job than submitting a resume that contains spelling errors, grammatical problems or typos. As one of our tips for writing resume, you are advised that it is imperative for you to proof your resume and then proof it again. Indeed, have someone else proof your resume as well.
By jobfinderadvisory

Friday, March 19, 2010

10 Steps to a Successful Career Change

From Mike Profita

Interested in a new career? If so, it is important to take the time to evaluate your present situation, to explore career options and to choose a career that will be satisfying for you.

Ten Steps to a Successful Career Change

1. Evaluate your current job satisfaction. Keep a journal of your daily reactions to your job situation and look for recurring themes. Which aspects of your current job do you like/dislike? Are your dissatisfactions related to the content of your work your company culture or the people with whom you work?

2. Assess your interests, values and skills through self help resources like the exercises in What Color is Your Parachute. Review past successful roles, volunteer work, projects and jobs to identify preferred activities and skills. Determine whether your core values and skills are addressed through your current career.

3. Brainstorm ideas for career alternatives by discussing your core values/skills with friends, family, networking contacts and counselors. Visit career libraries and use online resources like those found in the Career Advice section of the Job Search website.

4. Conduct a preliminary comparative evaluation of several fields to identify a few targets for in depth research.

5. Read as much as you can about those fields and reach out to personal contacts in those arenas for informational interviews.

6. Shadow professionals in fields of primary interest to observe work first hand. Spend anywhere from a few hours to a few days job shadowing people who have jobs that interest you. Your college Career Office is a good place to find alumni volunteers who are willing to host job shadowers.

7. Identify volunteer and freelance activities related to your target field to test your interest e.g. if you are thinking of publishing as a career, try editing the PTA newsletter. If you're interested in working with animals, volunteer at your local shelter.

8. Investigate educational opportunities that would bridge your background to your new field. Consider taking an evening course at a local college. Spend some time at one day or weekend seminars. Contact professional groups in your target field for suggestions.

9. Look for ways to develop new skills in your current job which would pave the way for a change e.g. offer to write a grant proposal if grant writing is valued in your new field. If your company offers in-house training, sign up for as many classes as you can.

10. Consider alternative roles within your current industry which would utilize the industry knowledge you already have e.g. If you are a store manger for a large retail chain and have grown tired of the evening and weekend hours consider a move to corporate recruiting within the retail industry. Or if you are a programmer who doesn't want to program, consider technical sales or project management.



Tips Of All Sorts