Search This Blog
TIP'S CETAGORY WITH LANGUAGE
- TIPS IN BANGLA (136)
- TIPS IN ENGLISH (146)
TIP'S SUBJECT
Tips 4 pc
Update Software
Thursday, August 19, 2010
হতে পারেন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট
প্যাথলজি কী
ল্যাবরেটরি সায়েন্সের একটি শাখা প্যাথলজি। রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্ত, মূত্রসহ বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এখানে। নির্ণয়ের পর কোন অ্যান্টিবায়োটিক কতটুকু প্রয়োগে জীবাণু নির্মূল সম্ভব তাও জানায় প্যাথলজি বিভাগ। এখানে যাঁরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজটি করেন তাঁদের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট বলা হয়। মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট রিপোর্ট তৈরির পর প্যাথলজিস্ট সেটি পুনরায় নিরীক্ষা করেন। প্রদত্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ডাক্তার চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।
কাজের ক্ষেত্র
দিন দিন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের চাহিদা বাড়ছে। অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিক গড়ে উঠছে। প্যাথলজি বিভাগও বাড়ছে। যেহেতু রোগ নির্ণয় না করে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয় তাই মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে। এ ছাড়া সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, জেলা হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা নিয়োগ পেয়ে থাকেন। বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা কাজ করে থাকেন। উপরন্তু সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশেই বিএসসি ইন প্যাথলজিস্ট পাসকৃতদের বেশ চাহিদা আছে।
কাজের সময়
প্রতিষ্ঠানভেদে কাজের সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। মেডিক্যাল কলেজগুলোতে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকগুলোতে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের ডিউটি টাইম শিফট হিসেবে ভাগ করা থাকে। সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় মর্নিং, ইভিনিং ও নাইট তিন শিফট থাকে। মর্নিং শিফট সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা; ইভিনিং শিফট বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা এবং নাইট শিফট রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা।
প্রাথমিক বেতন
এ বিষয়ে পড়াশোনা করার বড় সুবিধা হলো, ডিপ্লোমা বা গ্র্যাজুয়েশন করার পর পরই চাকরি পাওয়া যায়। শুরুতে সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা মেডিক্যাল কলেজে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টরা ছয় হাজার ৪০০ টাকা বেতন স্কেলে চাকরি পান। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেতন আট হাজার থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, নার্সিংহোম ও ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিতে অল্প সময়ের মধ্যে পদোন্নতি পাওয়া যায় এবং বেতনও বৃদ্ধি পায়।
যোগ্যতা
প্যাথলজিতে বিএসসি পড়ার জন্য দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। একটি ঢাকা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি এবং অন্যটি রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি। এগুলোতে পড়তে হলে এসএসসি ও এইচএসসিতে অবশ্যই বিজ্ঞান শাখায় পড়ে আসতে হবে। আর জীববিজ্ঞানসহ এসএসসি ও এইচএসসিতে আলাদা করে ৩.৫ পেয়ে মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০ হতে হবে। এখন বেশ কিছু বেসরকারি ইনস্টিটিউট গড়ে উঠেছে, যেখানে প্যাথলজিতে বিএসসি পড়া যায়। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়তে সাধারণত বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ কমপক্ষে ২.০ পেয়ে মোট জিপিএ ৫.০ থাকতে হবে।
মেয়েদের কাজের সুযোগ
এ পেশায় মেয়েদের অনেক সুযোগ, যদিও মহিলা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের সংখ্যা ছেলেদের তুলনায় কম। বর্তমানে অবশ্য ছেলেদের পাশাপাশি অনেক মেয়ে এ বিষয়ে পড়াশোনা করছে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানেই মেয়েরা এ পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
যেখানে পড়তে পারেন
* ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, মহাখালী, ঢাকা। ফোন : ৯৮৮৮৯৪০।
* ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, রাজশাহী।
* স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
ঠিকানা : ৭৭ সাতমসজিদ রোড, ধানমণ্ডি, ঢাকা। ফোন : ৮১৫১৭৮১-৫, ৮১২৬২৭২-৩।
কোর্সের খরচ : দুই লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
* নিউল্যাব ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি
৩/১৮ ইকবাল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
ফোন: ০১৯১২০৯৭৬৪০
কোর্সের খরচ : এক লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
* সাইক ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি
ঠিকানা : বাড়ি-৯, রোড-২, ব্লক-বি, মিরপুর-৬, ঢাকা।
ফোন : ৮০৩৫০৯৫
কোর্সের খরচ : দুই লাখ ৫৬ হাজার টাকা।
* ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল টেকনোলজি
বাড়ি-৬৮, রোড-৪, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা।
ফোন: ৮০২১৯৫৫, ০১১৯৯৪৬০৬৬৭
কোর্সের খরচ : এক লাখ ৫২ হাজার টাকা।
Wednesday, August 18, 2010
INCOME IN IIDUL FITR
পুঁজি কেমন লাগবে
অল্প পুঁজিতেই এ ব্যবসা শুরু করা যায়। শুধু অর্ডার অনুযায়ী যদি কাজ করতে চান, তবে প্রাথমিকভাবে দুই হাজার টাকা দিয়েই শুরু করতে পারেন। আর যদি আনস্টিচ পোশাকে ব্লক করে বিক্রি করতে চান তবে পাঁচ হাজার টাকাই যথেষ্ট।
দরদাম
একরঙা শাড়ি পাইকারি দরে কিনতে হলে ১২ থেকে ৩৬টি কিনতে হয়। একটি শাড়ির দাম ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা। গজ কাপড় পাইকারি মূল্যে কিনতে হলে একসঙ্গে কমপক্ষে ৩০ গজ কিনতে হবে। সে ক্ষেত্রে এক গজ সুতি কাপড় ৩৫ থেকে ৬০ এবং সিনথেটিক কাপড় ৫০ থেকে ৮০ টাকা। ওড়না পাইকারি দরে কিনতে চাইলে একই ধরনের ওড়না কমপক্ষে ১২টি নিতে হবে। একটির দাম পড়বে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা। এক্রামিন কালার ও রাসায়নিক দ্রব্যগুলো পাইকারি কিনতে হলে প্রতিটি কমপক্ষে এক কেজি কিনতে হবে। এক কেজি অ্যাক্রামিন কালারের মূল্য ১৪০ থেকে ৪২০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এক কেজি বাইন্ডার ১৫০, হোয়াইট পেস্ট ১৮০, নিউটেক্স ৬০, এনকে ১৮০, এপিজোন ৮০ ও ম্যাটপেস্ট ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়। নকশার জন্য বাজারে আম ও শিশু এই দুই ধরনের কাঠের ডাইস বিক্রি হয়। শিশু কাঠের ডাইস চারটির এক সেটের মূল্য ৩২০ থেকে ৩৭০, তিনটির সেটের মূল্য ২৮০ থেকে ৩০০ ও দুইটির সেটের মূল্য পড়বে ২০০ থেকে ২২০ টাকা। আম কাঠের তৈরি ডাইস চারটির এক সেট ২২০ থেকে ২৫০, তিনটির সেট ১৮০ থেকে ২০০ ও দুইটির সেট ৯০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এ ছাড়া ছোট ছোট একক ডাইস পাঁচ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হয়।
যেখান থেকে কিনতে পারেন
ব্লক প্রিন্ট করার জন্য একরঙা শাড়ি কিনতে পারেন ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডের নূরানী মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, ইসলামপুর ও চকবাজার থেকে। গজ কাপড় ও ওড়না কিনতে পারেন গাউছিয়া, চাঁদনী চক, নিউমার্কেট, চকবাজার ও ইসলামপুর থেকে। বৃহৎ পরিসরে ব্যবসাটি শুরু করতে চাইলে ব্লকের ডাইস কিনতে পারেন নরসিংদীর মাধবদী থেকে আর বিভিন্ন ধরনের রং ও রাসায়নিক দ্রব্য কিনতে পারেন নারায়ণগঞ্জ অথবা কামরাঙ্গীরচর থেকে। তবে ছোট ও মাঝারি পরিসরে ব্যবসার জন্য এগুলো কিনতে পারেন এলিফ্যান্ট রোডের নূরানী মার্কেট, চকবাজার ও গুলিস্তানের গাউসুল আজম মার্কেট থেকে।
কেমন কাপড় লাগবে
সুতি ও সিনথেটিক উভয় ধরনের কাপড়ের ওপরই ব্লক প্রিন্ট করতে পারেন। শাড়ি, থ্রিপিস, ফতুয়ার পাশাপাশি বাচ্চাদের পোশাক, বিছানার চাদর, বালিশ, কুশন কভার, ওয়ালম্যাট প্রভৃতিতে এ প্রিন্ট করতে পারেন।
যা কিছু কিনতে হবে
কোন ধরনের পোশাক তৈরি করবেন তার ওপর ভিত্তি করে প্রথমেই আপনাকে একরঙা শাড়ি, গজ কাপড়, ওড়না ইত্যাদি কিনতে হবে। কিনতে হবে ব্লকের রং বা অ্যাক্রামিন কালার। এ রঙের বৈচিত্র্য ও স্থায়িত্ব বাড়াতে রঙের সঙ্গে মেশানোর জন্য কিনতে হবে বাইন্ডার, এনকে, হোয়াইট পেস্ট, ডিপ নিউটেক্স, ম্যাটপেস্ট প্রভৃতি রাসায়নিক দ্রব্য। নকশা করার জন্য কিনতে হবে বিভিন্ন আকার ও নকশার ডাইস।
জানতে হবে যেসব বিষয়
কাপড়ের ধরন অনুযায়ী রং ও রাসায়নিক দ্রব্যের অনুপাত নির্ধারিত হয়। এগুলো কী অনুপাতে মেশাতে হবে, সে বিষয়ে ধারণা থাকতে হবে। বাজারে মাত্র ৮-১০টি অ্যাক্রামিন কালার বিক্রি হয়। বাকি রংগুলো বিভিন্ন রঙের সমন্বয়ে নিজেকেই তৈরি করতে হবে। সে ক্ষেত্রে কোন কোন রঙের সমন্বয়ে কী রং উৎপন্ন হয় সেটি জেনে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, একই পোশাকে একই নকশার ক্ষেত্রে রংগুলো যেন একটি থেকে অন্যটি বেশি হালকা বা গাঢ় না হয়ে যায়
Tuesday, August 17, 2010
Earthquake preparedness
Earthquake preparedness
Although there are no guarantees of safety during an earthquake, identifying potential hazards ahead of time and advance planning can save lives and significantly reduce injuries and property damage.
What to do during an earthquake
Be aware that some earthquakes are actually foreshocks and a larger earthquake might occur. Minimise your movements to a few steps to a nearby safe place and stay indoors until the shaking has stopped and you are sure exiting is safe.
If indoors: Drop to the ground, take cover by getting under a sturdy table or other piece of furniture, and hold on until the shaking stops. If there isn't a table or desk near you, cover your face and head with your arms and crouch in an inside corner of the building.
Stay away from glass, windows, outside doors and walls, and anything that could fall, such as lighting fixtures or furniture.
Use a doorway for shelter only if it is in close proximity to you and if you know it is a strongly supported, load-bearing doorway.
Stay inside until shaking stops and it is safe to go outside. Research has shown that most injuries occur when people inside buildings attempt to move to a different location inside the building or try to leave.
Do not use the elevators.
If outdoors: Stay there. Move away from buildings, streetlights, and utility wires. Once in the open, stay there until the shaking stops.
Three ways to plan ahead:
These simple precautions will go a long way.
Check for hazards at home
Fasten shelves securely to walls. Place large or heavy objects on lower shelves. Hang heavy items such as mirrors away from beds, couches, and anywhere people sit. Brace overhead light fixtures. Repair defective electrical wiring and leaky gas connections. (These are potential fire risks). Repair any deep cracks in ceilings or foundations; get expert advice if there are signs of structural defects.
Identify safe places indoors and outdoors
Under sturdy furniture such as a heavy desk or table or against an inside wall, interior columns and beams, can serve as safe zones. Other safe zones are in the open, away from buildings, trees, and telephone and electrical lines, and overpasses.
Educate yourself and family members
Hang emergency telephone number (police- helpline: 999, DMP-7124000, Fire station-control room: 01713038181, 955555, 9556667, and hospital: 8626812, 8626823, 86266812) at a suitable position at your house.
Teach children how and when to call police, fire department and other emergency agency. Teach all family members how and when to turn off gas, electricity, and water. Identify escape routes within the building.
Source: Federal Emergency Management Agency, U.S. Department of Homeland Security
- LS Desk, Daily Star
