Search This Blog

TIP'S CETAGORY WITH LANGUAGE

Tips 4 pc

Update Software

Thursday, April 29, 2010

দেশীয় ধাঁচে ঘর সাজাতে যাত্রা

দেশীয় ধাঁচে ঘর সাজাতে যাত্রা

শানজিদ রশিদ অর্ণব
দেশীয় উপকরণ এবং ডিজাইন ব্যবহার করে তৈরি ঘর সাজানোর এবং নিত্যব্যবহার্য সামগ্রীর এক বৈচিত্র্যময় ও বিশাল সম্ভার পাওয়া যায় ‘যাত্রা’-তে। বাংলা ব্যান্ডখ্যাত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আনুশেহ ‘যাত্রা’র কর্ণধার। প্রায় ১২ বছর আগে পথচলা শুরু করে ‘যাত্রা’। যাত্রার অন্যতম বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন ব্যবহার্য বস্তুতে ভিন্ন ধরনের পেইন্টিং। ‘বাংলা ফোক, রিকশা পেইন্ট এবং ঢালিউড পেইন্ট—এই তিন ধরনের বিশেষ পেইন্টিং আমরা ব্যবহার করি। এসব পেইন্টিংই আমাদের নিজস্ব শিল্পীরা করে থাকেন’—জানালেন যাত্রার মাহ্মুদ হোসেন শিমুল।
এসব পেইন্টিং করা কাঠের বিভিন্ন সাইজের বক্স পাওয়া যাবে ২০০-১২০০ টাকায়। মাটির পাত্র পাওয়া যাবে ২০০-১১০০ টাকায়। লাইট শেড পাওয়া যায় অসংখ্য ডিজাইনের। বাঁশ, বেত, পাট, কাঠ, কাপড় ইত্যাদি দিয়ে তৈরি ল্যাম্প ঘরের আবহই বদলে দিতে পারে। এখানে আছে বিভিন্ন সাইজ, রং ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের মোম, দাম পড়বে ৩৫-৫০০ টাকা, মাটির নকশা করা পাত্রে মোমবাতি পাবেন ১৬৫ টাকায়, মেটাল মোমদানি আছে ১৫০-২০০ টাকায়, যাত্রায় আছে বিচিত্র ধরনের ব্যাগ। পাটের তৈরি দেশীয় ডিজাইনের ব্যাগ পাওয়া যায় ১৩৫-৩৫০ টাকায়। কাপড়ের ব্যাগ আছে ২৫০-৫৩৫ টাকায়। এছাড়া বাংলা সিনেমার ছবি দিয়ে তৈরি প্লাস্টিকের ব্যাগ পাওয়া যায় ২৫০-৫৮০ টাকায়। যাত্রায় আছে ব্রোঞ্জের তৈরি কারুকাজময় শো-পিস। আছে হাতি, কুমির, পেঁচা, ঘোড়া, রাধাকৃষ্ণ, বুদ্ধ ইত্যাদি বিভিন্ন ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য। এছাড়া যাত্রায় পাবেন রিসাইকলিং প্রোডাক্ট। ছেঁড়া কাপড়, কাগজ, তুলা ইত্যাদি ব্যবহার করে যাত্রা তৈরি করছে নান্দনিক ডিজাইনের সামগ্রী। এখানে খাবার ঘরের সাজসজ্জার জন্য পাবেন বাঁশের ডাইনিং টেবিল। দাম ২৪ হাজার টাকা। বেতের তৈরি ডাইনিং ম্যাট ও মাটির তৈজসপত্র, টেবিলক্লথ, ন্যাপকিন, প্লেস ম্যাট। বাঁশের তৈরি বিছানা পাবেন ২১ হাজার ৮শ’ টাকায়। বেড কভার পাওয়া যাবে ১০০-২২০০ টাকায়। কুশন কভার ৪৮০ টাকায়। কাপড় আর বাঁশের তৈরি ‘প্যাচ ওয়ার্ক’ করা রুম ডিভাইডার আছে ৮৫০০ টাকায়। পর্দা পাবেন ৭৫০ টাকায়।
ঢালিউড পেইন্টিংয়ের হারিকেন, পাবেন ৪১৫ টাকায়। কাঠের জলচকি ৬৫০-৮৫০ টাকায়।
ঘর সাজানোর জন্য যাত্রায় পাবেন বিভিন্ন ধরনের শোপিস। মাটির পট, পাটের শিকা, মাটির পাত্র, একতারাসহ নানা মেটাল শো পিস। যাত্রায় আছে কাঠ এবং পিতলের কারুকাজময় অর্নামেন্ট বক্স, পিতলের তৈরি রাজকীয় পানের বাটা
ছাড়াও যাত্রায় আছে মাটি ও কাঠের তৈরি বাটি, চামচ, ট্রে ইত্যাদি। আছে পাটের তৈরি ফাইল হোল্ডার ১৮০-২৫০ টাকা, মাটির তৈরি পেন হোল্ডার ২৪৬ টাকায়। এছাড়া মানিব্যাগ, অ্যাশ ট্রে, চাবির রিং, চুড়ি, মালা, ব্রেসলেট, বাঁশের ঝুড়ি ইত্যাদি নানা সামগ্রী।
যাত্রায় শিশুদের জন্য আছে ব্যাগ ৩০০-৫০০ টাকায়। পাপেট পাবেন ১৭৫-৪০০ টাকায়। যাত্রার ড্রেস কর্নারে পাবেন জামা-কাপড়, শাল ও হাল ফ্যাশনের ‘ব্যাপারী শার্ট’। বেত, পাট, বাংলা সিনেমর ছবি দিয়ে তৈরি স্যান্ডেলের দাম পড়বে ৩০০-৬০০ টাকা। দেশীয় ডিজাইনে এবং একটু ভিন্নভাবে ঘর সাজাতে চাইলে আপনি অবশ্যই যাত্রার ধানমন্ডি ২৭ এবং বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ-এর শো-রুমে ঘুরে আসতে পারেন।

চালু হলো আইপি টেলিফোনি

চালু হলো আইপি টেলিফোনি

বর্তমান বিশ্বে টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে একটি জনপ্রিয় প্রযুক্তি হচ্ছে আইপি টেলিফোনি। গত বছর আমাদের দেশে আইপি টেলিফোনি উন্মুক্ত হলেও নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে, চড়াই-উত্রাই পেরিয়ে সম্প্রতি তা চালু হলো। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) উদ্যোগে আইপি টেলিফোনি চালুর মাধ্যমে বলা যায়, দেশে একটি শুভ সূচনা হলো। এর সাথে টেলিকম সেবায় উন্মোচিত হলো এক নতুন দিগন্ত। কিন্তু কী এই আইপি টেলিফোনি?
এ নিয়ে লিখেছেন— সাদ আবদুল ওয়ালী

কি এই আইপি টেলিফোনি?

ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিফোনি সংক্ষেপে আইপি টেলিফোনি নামেই পরিচিত। টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে আইপি টেলিফোনি ইন্টারনেট প্রটোকল নির্ভর এমন এক ফোন সার্ভিস যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অত্যন্ত স্বল্প খরচে কথা বলার সেবা দিতে সক্ষম। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের মাধ্যমে এ সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। এতে প্রত্যেক সার্ভিস প্রোভাইডার বা অপারেটরের একটি নিজস্ব কোড নম্বর থাকবে। এ সার্ভিস পেতে হলে একটি মাল্টিমিডিয়া কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ থাকা বাধ্যতামূলক।

যেসব আইএসপি প্রতিষ্ঠান আইপি

টেলিফোনি সেবা দিচ্ছে
সম্পূর্ণ দেশীয় উদ্যোক্তাদের দ্বারা এ সেবা শুরু হচ্ছে এটা খুবই আশার কথা। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো আইপি টেলিফোনি সেবা প্রদান করতে যাচ্ছে। এ যাত্রায় সামিল হয়েছে মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে অ্যাডভান্সড ডেটা নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড, অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড, বিডিকম অনলাইন লিমিটেড, বেক্সিমকো, ব্রাকনেট, বিটিএস কমিউনিকেশনস লিমিটেড, কানেক্ট বিডি লিমিটেড, ঢাকা কম লিমিটেড, গ্রামীণ সাইবারনেট লিমিটেড, গ্লোবাল এক্সেস লিমিটেড, এইচআরসি টেকনোলজিস লিমিটেড, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড, ইননোভেটিভ অনলাইন লিমিটেড, লিংক থ্রি টেকনোলজিস লিমিটেড, মেট্রোনেট বিডি লিমিটেড, অপটিমাক্স কমিউনিকেশন লিমিটেড, রয়াল গ্রিন অনলাইন লিমিটেড এবং টেলনেট কমিউনিকেশন লিমিটেড। উল্লেখ্য, গত বছর বিটিআরসি ৩২ টি আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে এ সেবার জন্য অনুমতি দেয়। কিন্তু নানা কারণে এ সেবা এতদিনে চালু হয়নি। ১৮টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি ১৪টি প্রতিষ্ঠান অচিরেই এ কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানা গেছে।

আইপি টেলিফোনিতে যা যা লাগবে

এই প্রথম অনেকগুলো আইএসপি প্রতিষ্ঠান একইসঙ্গে আইপি টেলিফোনি সেবা প্রদান করছে। একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আইপি টেলিফোনি কার্যকর হবে। এক্ষেত্রে যেসব উপকরণ লাগবে তা হচ্ছে একটি আইপি টেলিফোন সেট— বাজারে এ ধরনের সেট পাওয়া যাবে, যার দাম আনুমানিক ৫/৬ হাজার টাকা থেকে শুরু হবে।
মডেম : এটি আইপি টেলিফোনের সঙ্গে গেটওয়ে হিসেবে কাজ করবে।
মাল্টিমিডিয়া কম্পিউটার বা ল্যাপটপ : যেসব কম্পিউটার বা ল্যাপটপে হেডফোন কার্যকর করা যাবে।
ইন্টারনেট সংযোগ : আইএসপি প্রতিষ্ঠান থেকে সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।
এছাড়া আইপি টেলিফোনি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ মোবাইল সেট ব্যবহার করে এই সেবা পাওয়া যাবে, সেক্ষেত্রে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।

যে ধরনের সেবা পাওয়া যাবে

আইপি টেলিফোনিতে দুই ধরনের সেবা পাওয়া যাবে। একটি হচ্ছে ভয়েস কল সার্ভিস। অন্যটি হচ্ছে ডেটা সার্ভিস। আইপি টেলিফোনি ব্যবহার করার জন্য প্রত্যেক গ্রাহককে দেয়া হবে আইডি নম্বর। বিভিন্ন আইএসপি কোম্পানির আইএসএন’র কোডগুলো যেমন বিডিকমের ০৯৬৬৬, ঢাকা কমের ০৯৬১১, লিংক থ্রির ০৯৬৭৮, অগ্নির ০৯৬০৬ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। কোড ও গ্রাহক আইডি নম্বর মিলে পুরো আইডি হবে ১১ সংখ্যার। এই সেবা হ্যান্ডসেট, ফিক্সড সেট ও কম্পিউটারে ব্যবহার করা যাবে। কম্পিউটারে ও ল্যাপটপে কথা বলা যাবে হেডফোনের সহায়তায়। আশা করা যায় খুব শিগগিরই এসব সুবিধা ব্যাপকভাবে পাওয়া যাবে।

খরচ কেমন হবে?

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে কথা বলা যাবে আইপি টেলিফোনি প্রযু্ক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে। মূলত আইপি টেলিফোনি প্রযুক্তিতে বিনামূল্যে কথা বলা যাবে। শুরুতে একটি ফরম পূরণের মাধ্যমে নিবন্ধন ফি মাত্র ১০০ টাকা দিতে হবে। বিনিময়ে অফুরন্ত কথা বলা যাবে। এতে মোবাইল ফোন বা অন্য অপারেটরে কল করা যাবে সেক্ষেত্রে চার্জ যুক্ত হবে। এছাড়া দেশের বাইরে থাকা প্রায় ১ কোটি মানুষ কম খরচে কথা বলার সুযোগ পাবে। আইপি টেলিফোন থেকে আইপি টেলিফোনিতে কথা বলার ক্ষেত্রে কোনো খরচ আসবে না। তবে সরকারি ল্যান্ডফোন কর্তৃপক্ষ বিটিসিএলের সঙ্গে অচিরেই এ সংযোগ পাওয়া সম্ভব হবে। তবে আইপি টেলিফোন সেটের ইনস্টলেশনের জন্য কি চার্জ দিতে হবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। এটি নির্ভর করবে সেট সংখ্যার উপরে।

অবৈধ ভিওআইপি রোধ হবে

আইপি টেলিফোনি বিস্তারের ফলে দেশে অবৈধভাবে ভিওআইপি ব্যবসা অনেকাংশেই রোধ হবে। কারণ, আইপি টেলিফোনি অত্যন্ত সাশ্রয়ী প্রযুক্তি। এটা চালু হলে অবৈধ ভিওআইপি কলের দিকে মানুষের আগ্রহ হারিয়ে যাবে। সারা বিশ্বে যোগাযোগ প্রযুক্তিতে যে পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে তা থেকে দূরে থাকা মানে সার্বিক অগ্রসরতা থেকে পিছিয়ে পড়া। বিশ্বের অনেক দেশে আইপি টেলিফোনি দারুণভাবে জনপ্রিয়। এবার আমরা সে অগ্রযাত্রায় সামিল হতে যাচ্ছি। তবে এটা সম্ভব হবে কেবল আইপি টেলিফোনির যথার্থ প্রয়োগ ও ব্যবহারের ফলে। এখন দেখা যাক ফলাফল কী দাঁড়ায়।

জে নে রা খু ন : সুস্থতার জন্য

জে নে রা খু ন : সুস্থতার জন্য

সুন্দর জীবনের সঙ্গে সুস্থ-নীরোগ দেহের সম্পর্ক অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। সুস্থ দেহ অর্থ শুধু জরা-ব্যাধিহীন দেহ নয়, স্থূলতাও এর একটি অংশ বটে। আমরা সবাই সুস্থ-সুন্দর থাকতে চাই। কিন্তু স্থূলতা যেহেতু কোনো রোগ নয়, তাই এ ব্যাপারটি অনেকেই এড়িয়ে যায়। আমাদের দেশে অধিকাংশ মহিলা গৃহিণী হওয়ার কারণে তাদের মাঝে মোটা হয়ে থাকার প্রবণতা বেশি। আমাদের দেশের নিরিখে প্রতিদিন জিমে যাওয়া কিংবা বাড়িতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় রেখে ব্যায়াম অভ্যাস করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। কিন্তু কিছু সহজ উপায়ে প্রতিদিন ১০০ ক্যালরি পর্যন্ত কমানো যেতে পারে। যেমন—বাগান করা, মাটি নিড়ানো, কোপানো, আগাছা পরিষ্কার। এসব কাজে যথেষ্ট ক্যালরি ক্ষয় হয়। বাগানে কাজ করলে ১৫ মিনিটেই ১০০ ক্যালরি কমানো সম্ভব।
হাঁটা : সবচেয়ে সহজ এবং ক্যালরি কমানোর সবচেয়ে ন্যাচারাল মুভমেন্ট। ৫০ মিনিট দ্রুত হাঁটলে ১০০ ক্যালরি বা তার বেশি ক্ষয় হয়।
জগিং : নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে ১২ মিনিট জগিং করলে প্রায় ১০ ক্যালরি ক্ষয় হয়।
নাচ : ২০ মিনিট মনের আনন্দে নাচুন। ক্ষয় হবে প্রায় ১০০ ক্যালরি।
পোশাক ইস্ত্রি করা : টানা পঁচিশ মিনিট পোশাক ইস্ত্রি করলে ঘরের কাজের পাশাপাশি ক্ষয় হবে আপনার প্রায় ১০০ ক্যালরি।
ব্যাডমিন্টন খেলা : এটি শরীরকে সুগঠিত করতে সাহায্য করে। ২০ মিনিট ক্যাজুয়াল, নন কমপিটেটিভ ব্যাডমিন্টন গেম ঝরিয়ে দেবে ১০০ ক্যালরি।
গৃহস্থালির কাজ : এটি বিভিন্ন রকম হতে পারে। কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার, ঘর গোছানো, রান্না করা ইত্যাদি কাজ তো করতেই হয়। কাউন্ট করুন বিশ মিনিট পর্যন্ত। দেখুন, কমে গেছে প্রায় ১০০ ক্যালরি।
সিঁড়ি ব্যবহার : বাড়ি কিংবা অফিসে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। ২০ মিনিটে ১০০ ক্যালরি কমে যাবে। ২০ মিনিট একটানা না হয়ে দুই বা তিন ভাগেও হতে পারে।
এছাড়া আরও কিছু গেম বা সহজ এক্সারসাইজ আছে যেগুলো সবার পক্ষে সম্ভব না হলেও ক্যালরি কাটাতে বিশেষ সহায়ক। যেমন—
ভলিবল খেলা : ১২ মিনিট খেলেই ১০০ ক্যালরি কমাতে যথেষ্ট।
সাইকেল চালানো : ৪০ মিনিট সাইক্লিংয়ে ঝরে যাবে ১০০ ক্যালরি।
গলফ : ২০ মিনিট গলফ খেললেও ১০০ ক্যালরির মতো কমে যেতে পারে।
সাঁতার কাটা : শরীর সুগঠিত করার জন্য অসম্ভব কার্যকরী একটি ব্যায়াম। ১৫ মিনিট সাঁতার কাটা ১০০ ক্যালরি ঝরাবে নিশ্চিতভাবেই।
ফ্রিজবি খেলা : ৩০ মিনিট খেলুন মনের আনন্দে। কেটে যাবে ১০০ ক্যালরি।
এভাবে প্রতিদিন যে কোনো একটি কাজ করলেই বিভিন্ন উপায়ে সপ্তাহে কাটবে ৭০০ ক্যালরি। অর্থাত্ ২১০০ ক্যালরি কেটে যাবে এক মাসে। তাহলে শুরু করে দিন আজ থেকেই। তবে কোনোরকম শরীরিক অসুস্থতা থাকলে আগে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

Tips Of All Sorts